Jelevo-র শুরুর গল্প
২০১৯ সালের শুরুর দিকে একটা সমস্যা চোখে পড়েছিল — বাংলাদেশে অনলাইনে খেলাধুলার বেটিং বা ক্যাসিনো গেম খেলতে চাইলে ব্যবহারকারীকে বিদেশি প্ল্যাটফর্মে যেতে হতো যেগুলো বাংলায় নয়, দেশীয় পেমেন্ট সাপোর্ট করে না এবং কাস্টমার সার্ভিসও বাংলায় পাওয়া যায় না। ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়লে কোথায় যাবেন সেটাই বুঝতেন না।
এই ফাঁকটা পূরণ করতেই Jelevo-র জন্ম। প্রথম দিন থেকেই আমাদের একটাই লক্ষ্য ছিল — বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে তিনি নিজের ভাষায় সাপোর্ট পাবেন, বিকাশে টাকা দিতে ও নিতে পারবেন এবং দেশের প্রিয় খেলাগুলোতে — বিশেষত ক্রিকেটে — বেট করতে পারবেন।
আমরা কীভাবে এগিয়েছি
শুরুতে মাত্র কয়েক হাজার ব্যবহারকারী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল Jelevo। বিশ্বাস অর্জন করাটা সহজ ছিল না। প্রথম প্রথম অনেকেই প্রশ্ন করতেন — "অনলাইনে টাকা দিলে কি সত্যিই ফেরত পাবো?" সেই প্রশ্নের উত্তর আমরা দিয়েছি কাজে, কথায় নয়। প্রতিটি উইথড্রয়াল সময়মতো প্রক্রিয়া করা, প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সাথে নেওয়া — এভাবেই ধীরে ধীরে বিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
২০২১ সালে Jelevo মোবাইল অ্যাপ চালু হওয়ার পর ব্যবহারকারী সংখ্যা লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে। কারণ বাংলাদেশে মানুষ মূলত মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। অ্যাপটি শুরু থেকেই বাংলায় ছিল এবং বিকাশ ইন্টিগ্রেশন থাকায় পেমেন্ট হয়ে যায় একদম সহজে।
আজ Jelevo-তে ৫ লক্ষেরও বেশি সক্রিয় সদস্য আছেন। প্রতিদিন হাজারো লেনদেন সম্পন্ন হয়। ক্রিকেট বিশ্বকাপের সময় আমাদের সার্ভারে যে ট্রাফিক আসে সেটা সামলানোর জন্য আমরা ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচারে বিনিয়োগ করেছি যাতে বড় ম্যাচের সময় সাইট বা অ্যাপ স্লো না হয়।
আমাদের দর্শন
Jelevo বিশ্বাস করে যে বিনোদন এবং দায়িত্বশীলতা পাশাপাশি থাকতে পারে। আমরা কখনো ব্যবহারকারীকে তার সাধ্যের বাইরে খেলতে উৎসাহিত করি না। Jelevo-র প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট সীমা নির্ধারণ, স্ব-বর্জন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো সুবিধা আছে কারণ আমরা চাই আমাদের ব্যবহারকারীরা দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকুন।
প্রযুক্তির দিক থেকে আমরা প্রতিনিয়ত উন্নতি করে যাচ্ছি। প্রতি মাসে নতুন গেম যোগ হচ্ছে, অ্যাপ আপডেট হচ্ছে এবং নতুন পেমেন্ট সুবিধা আসছে। আমাদের ডেভেলপমেন্ট টিম বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর ফিডব্যাক সরাসরি পণ্যে যোগ করে — এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।